তিতাস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ | Titas Commuter Train Schedule 

তিতাস ট্রেনের সময়সূচী জানা মানে যাত্রার আগে রাস্তার মানচিত্র হাতে পাওয়া। ঢাকার ব্যস্ত কমলাপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বা আখাউড়া যেতে একটি ট্রেন মিস করলেই অপেক্ষার সময় বেড়ে যেতে পারে। ২০২৬ সালের জন্য প্রচলিত সময়সূচী অনুযায়ী তিতাস কমিউটার ট্রেনের চারটি সার্ভিস রয়েছে। এর মধ্যে দুটি ঢাকা থেকে ছাড়ে এবং দুটি ঢাকার দিকে আসে।

তবে ট্রেনের সময় ও ভাড়া পরিবর্তন হতে পারে। তাই যাত্রার দিন বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল নোটিশ বা স্টেশন কাউন্টার থেকে সর্বশেষ তথ্য মিলিয়ে নিন। নিচের তালিকায় ট্রেন নম্বর, ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময়, ভাড়া, অবস্থান জানার পদ্ধতি এবং টিকিট কেনার নিয়ম একসঙ্গে দেওয়া হলো।

  • ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যেতে তিতাস কমিউটার ৩৪ নম্বর ট্রেন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ে।
  • অন্যদিকে ঢাকা থেকে আখাউড়া যেতে ৩৬ নম্বর ট্রেন বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ে।
  • ঢাকা–ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভাড়া শোভন ১২০ টাকা এবং শোভন চেয়ার ১৪৫ টাকা।
  • অনলাইন টিকিটের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং পোর্টাল ব্যবহার করা যায়।

পোস্ট সূচীপত্র একনজরে

তিতাস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

তিতাস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী তিতাস কমিউটার ট্রেন ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং আখাউড়া রুটে চলাচল করে। চারটি সার্ভিসের মধ্যে ৩৪ ও ৩৬ নম্বর ট্রেন ঢাকা থেকে ছাড়ে। বিপরীতমুখী ৩৩ ও ৩৫ নম্বর ট্রেন আখাউড়া অথবা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকার দিকে আসে।

সকাল ও সন্ধ্যার দুই দিকের সার্ভিস শহরকেন্দ্রিক যাত্রীদের জন্য আলাদা সুবিধা তৈরি করে। যেমন ঢাকায় কাজ থাকা কোনো যাত্রী সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছাতে চাইলে ৩৪ নম্বর ট্রেন বেছে নিতে পারেন। আবার দিনের কাজ শেষে আখাউড়ার দিকে ফিরতে চাইলে ৩৬ নম্বর ট্রেনটি প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

ট্রেনের নাম ও নম্বরশুরুর স্টেশনছাড়ার সময়গন্তব্যপৌঁছানোর সময়
তিতাস কমিউটার ৩৩আখাউড়াভোর ৫টা ১০ মিনিটঢাকাসকাল ৮টা ৪৫ মিনিট
তিতাস কমিউটার ৩৪ঢাকাসকাল ৯টা ৪৫ মিনিটব্রাহ্মণবাড়িয়াদুপুর ১২টা ২৫ মিনিট
তিতাস কমিউটার ৩৫ব্রাহ্মণবাড়িয়াদুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটঢাকাবিকেল ৩টা ২০ মিনিট
তিতাস কমিউটার ৩৬ঢাকাবিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটআখাউড়ারাত ৯টা ৩০ মিনিট

সময়গুলো বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। তবে রেলপথে সাময়িক বিলম্ব বা পরিচালনাগত পরিবর্তন হলে বাস্তব সময় কিছুটা এগিয়ে বা পিছিয়ে যেতে পারে। তাই ছাড়ার সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো নিরাপদ সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে ঢাকা কমলাপুরের মতো ব্যস্ত স্টেশনে এই অতিরিক্ত সময় কাজে লাগে।

আরো পড়ুন:  ঢাকা টু শেরপুর হানিফ বাসের সময়সূচী, ভাড়া, কাউন্টার নাম্বার ২০২৬

আরও জেনে নিনঃ জয়দেবপুর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী

কোন ট্রেনটি কার জন্য সুবিধাজনক?

ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার ক্ষেত্রে ৩৪ নম্বর ট্রেনের যাত্রা-সময় প্রায় ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। অন্যদিকে ঢাকা থেকে আখাউড়ার ৩৬ নম্বর সার্ভিসের নির্ধারিত সময় প্রায় ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। তাই নির্দিষ্ট গন্তব্যের পাশাপাশি পৌঁছানোর সময়ও বিবেচনায় রাখুন।

  • সকালবেলার যাত্রা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জন্য ৩৪ নম্বর ট্রেন।
  • সন্ধ্যার যাত্রা: আখাউড়ার জন্য ৩৬ নম্বর ট্রেন।
  • ঢাকামুখী যাত্রা: আখাউড়া থেকে ৩৩ নম্বর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ৩৫ নম্বর ট্রেন।

তিতাস কমিউটার ট্রেনের ভাড়া কত?

ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে তিতাস কমিউটার ট্রেনের তালিকাভুক্ত ভাড়া শোভন শ্রেণিতে ১২০ টাকা এবং শোভন চেয়ারে ১৪৫ টাকা। একইভাবে ঢাকা থেকে আখাউড়া গেলে শোভন ভাড়া ১৩৫ টাকা এবং শোভন চেয়ারের ভাড়া ১৬০ টাকা।

রুটশোভনশোভন চেয়ার
ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া১২০ টাকা১৪৫ টাকা
ঢাকা থেকে আখাউড়া১৩৫ টাকা১৬০ টাকা

ভাড়ার তালিকা বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে নতুন ভাড়া কার্যকর হলে পুরোনো তালিকা আর প্রযোজ্য নাও হতে পারে। ফলে কাউন্টার বা অনলাইন পেমেন্টের আগে প্রদর্শিত মূল্য যাচাই করুন। পাশাপাশি নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দেবেন না।

শোভন নাকি শোভন চেয়ার?

কম খরচে যাতায়াত করতে চাইলে শোভন শ্রেণি সাধারণত উপযোগী। তুলনামূলক নির্দিষ্ট আসন ও বেশি আরামের প্রয়োজন হলে শোভন চেয়ার বেছে নেওয়া যেতে পারে। তবে আসনপ্রাপ্যতা এবং অনলাইন টিকিটে দেখানো অপশন সব সময় একই নাও থাকতে পারে।

  • শোভন: ভাড়া কম। তাই স্বল্প বাজেটের যাত্রীর জন্য কার্যকর।
  • শোভন চেয়ার: ভাড়া বেশি হলেও বসার সুবিধা তুলনামূলক ভালো হতে পারে।
  • সতর্কতা: যাত্রার দিন ভাড়া বা আসনের শ্রেণি বদলেছে কি না দেখে নিন।

তিতাস কমিউটার এখন কোথায়?

তিতাস কমিউটার ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশন খুলে ট্রেন নম্বর লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠাতে হয়। উদাহরণ হিসেবে ট্রেন নম্বর অনুযায়ী TR 33, TR 34, TR 35 অথবা TR 36 লিখে পাঠানো যায়।

আরো পড়ুন:  ঢাকা টু কক্সবাজার বিমান সময়সূচী, ভাড়া, টিকেট কাটার নিয়ম

মেসেজ পাঠানোর সময় ইংরেজি অক্ষর ও ট্রেন নম্বরের বানান ঠিক রাখুন। কারণ ভুল নম্বর লিখলে কাঙ্ক্ষিত তথ্য নাও আসতে পারে। এছাড়াও এই সেবা ব্যবহারের আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান নির্দেশনা এবং প্রযোজ্য মোবাইল অপারেটর চার্জ যাচাই করাও ভালো।

তিতাস কমিউটার ট্রেনের বন্ধের দিন

প্রদত্ত পরিচালনাসূচী অনুযায়ী তিতাস কমিউটার ট্রেনের নির্দিষ্ট সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই। অর্থাৎ সপ্তাহের সাত দিনই সার্ভিস চলার কথা বলা হয়েছে। ঈদের সময়ও ট্রেন চলাচল করার তথ্য রয়েছে। তবে বিশেষ ঈদসূচী বা পরিচালনাগত সিদ্ধান্তে পরিবর্তন হতে পারে।

“সপ্তাহের ৮ দিন” কথাটি বাস্তব ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মেলে না। এর সঠিক অর্থ হলো সপ্তাহের প্রতিদিন। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি, রেলপথের কাজ, আবহাওয়া বা বিশেষ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কোনো ট্রেন বিলম্বিত কিংবা সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে।

টিকিট কাটার নিয়ম কী?

তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার থেকে অথবা অনলাইনে কেনা যায়। সরাসরি টিকিটের জন্য ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশন অথবা আখাউড়া স্টেশনের কাউন্টারে যেতে পারেন। গন্তব্য, যাত্রার তারিখ এবং প্রয়োজনীয় আসনসংখ্যা জানালে কর্মীরা প্রাপ্যতা অনুযায়ী টিকিট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।

অনলাইনে eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিবন্ধন বা লগইন করুন। এরপর যাত্রার তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য এবং যাত্রীর তথ্য দিয়ে উপলভ্য ট্রেন ও আসন নির্বাচন করুন। পেমেন্ট শেষ হলে টিকিটের কপি সংরক্ষণ করুন এবং ভ্রমণের সময় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন।

  1. প্রথমে অফিসিয়াল ই-টিকিটিং ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
  2. এরপর অ্যাকাউন্টে লগইন করে ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বা আখাউড়ার সঠিক স্টেশন নির্বাচন করুন।
  3. তারপর যাত্রার তারিখ ও তিতাস কমিউটার সার্ভিস খুঁজে নিন।
  4. উপলভ্য শ্রেণি ও আসন বেছে নিয়ে যাত্রীর তথ্য পূরণ করুন।
  5. সবশেষে পেমেন্ট সম্পন্ন করে টিকিটের ডিজিটাল কপি সংরক্ষণ করুন।

অনলাইনে টিকিট না পাওয়া গেলে একই সময়ে কাউন্টারে গিয়ে টিকিট পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকে না। কারণ জনপ্রিয় সময়ে আসন দ্রুত শেষ হতে পারে। তাই যাত্রার পরিকল্পনা নিশ্চিত হলে আগে থেকেই অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে আসনপ্রাপ্যতা দেখা যুক্তিসঙ্গত।

শহর থেকে স্টেশনে যাওয়ার প্রস্তুতি

ঢাকার যাত্রীরা কমলাপুরে পৌঁছানোর সময় শুধু ট্রেনের ছাড়ার সময় ধরে পরিকল্পনা করলে ঝুঁকি থাকে। যেমন মতিঝিল, ফার্মগেট বা উত্তরা থেকে সকালের যানজটের সময় যাত্রা করলে স্টেশন পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। ট্রেন ৩৪ সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ছাড়লেও নিরাপদভাবে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের মধ্যে স্টেশনে থাকা ভালো।

আরো পড়ুন:  জয়দেবপুর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বা আখাউড়া থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদেরও প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তন এবং টিকিট যাচাইয়ের জন্য সময় হাতে রাখা দরকার। মুঠোফোনে টিকিটের স্ক্রিনশট রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে মূল অ্যাকাউন্ট বা বুকিং তথ্য দেখাতে প্রস্তুত থাকুন।

সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন

তিতাস ট্রেনের সময়সূচী দেখার পরও অনেক যাত্রী শুধু ছাড়ার সময় মনে রাখেন। অথচ ট্রেন নম্বর ভুলে গেলে অবস্থান যাচাই বা কাউন্টার-সংক্রান্ত কথাবার্তায় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই রুট, গন্তব্যের স্টেশন এবং টিকিটের শ্রেণি একসঙ্গে মিলিয়ে নেওয়াই নিরাপদ।

  • ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা থেকে আখাউড়া রুটকে একই মনে করা।
  • সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের ট্রেনকে রাতের সার্ভিস ভেবে ভুল করা।
  • টিকিট কাটার সময় যাত্রার তারিখ না মিলিয়ে পেমেন্ট করা।
  • অফিসিয়াল ভাড়া না দেখে দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তিকে টাকা দেওয়া।
  • যাত্রার দিন পরিবর্তিত নোটিশ না দেখে পুরোনো সময়ের ওপর নির্ভর করা।

বিশেষজ্ঞের ব্যবহারিক পরামর্শ

ট্রেনভ্রমণে সবচেয়ে কার্যকর অভ্যাস হলো “ট্রেন নম্বর + গন্তব্য + ছাড়ার সময়” এই তিনটি তথ্য একসঙ্গে লিখে রাখা। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা থেকে আখাউড়ার জন্য নোট করুন: তিতাস কমিউটার ৩৬, বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিট। ফলে স্টেশনে ঘোষণা বা মেসেজ সেবা ব্যবহার করার সময় ভুল কমে।

দ্বিতীয়ত, ভাড়া সম্পর্কে পুরোনো পোস্ট বা সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো তালিকাকে চূড়ান্ত ধরে নেবেন না। বরং বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং স্টেশন কাউন্টার থেকে সর্বশেষ ভাড়া মিলিয়ে নিন। লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো, সময়সূচী একই থাকলেও ভাড়া বা টিকিটিং নিয়ম আলাদা নোটিশে বদলাতে পারে।

যাত্রীদের সাধারণ প্রশ্ন

তিতাস কমিউটার ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?

ঢাকা থেকে তিতাস কমিউটার ৩৪ সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে ছাড়ে। এছাড়া ৩৬ নম্বর ট্রেন বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে আখাউড়ার দিকে যাত্রা করে।

ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাড়া কত?

তালিকাভুক্ত ভাড়া অনুযায়ী শোভন ১২০ টাকা এবং শোভন চেয়ার ১৪৫ টাকা। তবে যাত্রার আগে কাউন্টার বা অফিসিয়াল অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বর্তমান মূল্য মিলিয়ে নিন।

ঢাকা থেকে আখাউড়া যেতে কোন ট্রেন?

ঢাকা থেকে আখাউড়ার জন্য তিতাস কমিউটার ৩৬ নম্বর সার্ভিসটি বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ে এবং নির্ধারিত সময়ে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে পৌঁছায়।

তিতাস কমিউটার ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ আছে?

প্রদত্ত সূচী অনুযায়ী নির্দিষ্ট সাপ্তাহিক বন্ধ নেই। অর্থাৎ সপ্তাহের সাত দিন ট্রেন চলার কথা রয়েছে। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি বা বিশেষ নোটিশে সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে।

তিতাস ট্রেনের অবস্থান কীভাবে জানা যায়?

মেসেজ অপশনে TR 33, TR 34, TR 35 অথবা TR 36 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠান। সঠিক ট্রেন নম্বর ব্যবহার করলেই কাঙ্ক্ষিত অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অনলাইনে তিতাস ট্রেনের টিকিট কোথায় কাটব?

বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং পোর্টাল eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কেনা যায়। সেখানে লগইন করে তারিখ, রুট, আসন ও যাত্রীর তথ্য পূরণ করতে হবে।

কাউন্টার থেকে কোথায় টিকিট কেনা যায়?

ঢাকা কমলাপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট কেনার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে টিকিটের প্রাপ্যতা ও সময় কাউন্টারে জেনে নিন।

যাত্রার আগে শেষ যাচাই

তিতাস ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া এবং টিকিটের নিয়ম জানা থাকলে ঢাকা–ব্রাহ্মণবাড়িয়া–আখাউড়া রুটে পরিকল্পনা করা সহজ হয়। তবু রওনা হওয়ার আগে ট্রেন নম্বর, ছাড়ার সময়, ভাড়া এবং সেদিনের কোনো বিশেষ নোটিশ মিলিয়ে নেওয়া উচিত।

স্টেশনে অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছান এবং টিকিটের তথ্য সংরক্ষণ করুন। সময়সূচী বা ভাড়ায় পরিবর্তনের সন্দেহ থাকলে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ই-টিকিটিং পোর্টাল অথবা সংশ্লিষ্ট স্টেশন কাউন্টারকে চূড়ান্ত সূত্র হিসেবে গ্রহণ করুন।

Rakib Hasan

আমি একজন লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি খবর, চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তথ্যবহুল ও সহজবোধ্য কনটেন্ট প্রকাশ করেন। তাঁর লক্ষ্য পাঠকদের সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য প্রদান করা।

Sharing Is Caring:

Leave a Comment