ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ | Dhaka to Tangail Train Schedule

ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের সময়সূচী খুঁজে ক্লান্ত হলেও সঠিক ট্রেন বেছে নিতে পারছেন না? ২০২৬ সালে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল রুটে ৮টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে। প্রথম ট্রেন ধূমকেতু এক্সপ্রেস সকাল ৬টায় ছাড়ে। অন্যদিকে সর্বশেষ ট্রেন পদ্মা এক্সপ্রেস রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে যাত্রা করে। ট্রেনভেদে ভ্রমণ সময় ১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট।

  • ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার।
  • শোভন আসনের ভাড়া ৯৫ টাকা থেকে শুরু হতে পারে। এছাড়াও শোভন চেয়ারের ভাড়া ১১৫ টাকা।
  • তবে সব ট্রেন প্রতিদিন চলে না। যাত্রার আগে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন মিলিয়ে নিন।
  • সময় ও আসনপ্রাপ্যতা বদলাতে পারে। তাই চূড়ান্ত তথ্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট পোর্টালে যাচাই করুন।

ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ২০২৬ সালে এই রুটে ৮টি আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। ফলে সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাতে ট্রেন পাওয়া যায়। ধূমকেতু এক্সপ্রেস সবচেয়ে সকালে ছাড়ে। অন্যদিকে পদ্মা এক্সপ্রেস সর্বশেষ ছাড়লেও দুটির যাত্রা সময় ১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট।

ট্রেনের নামকোডঢাকা ছাড়েটাঙ্গাইলে পৌঁছেসময়বন্ধের দিন
ধূমকেতু এক্সপ্রেস৭৬৯সকাল ৬:০০সকাল ৭:৪৭১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিটবৃহস্পতিবার
একতা এক্সপ্রেস৭০৫সকাল ১০:১৫দুপুর ১২:০৩১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিটকোনো বন্ধ নেই
সিল্কসিটি এক্সপ্রেস৭৫৩দুপুর ২:৩০বিকেল ৪:২৬১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিটরবিবার
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস৭৭৬বিকেল ৪:১৫সন্ধ্যা ৬:১১১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিটশনিবার
চিত্রা এক্সপ্রেস৭৬৪সন্ধ্যা ৭:৩০রাত ৯:২৬১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিটরবিবার
দ্রুতযান এক্সপ্রেস৭৫৭রাত ৮:৪৫রাত ১০:৩২১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিটকোনো বন্ধ নেই
লালমনি এক্সপ্রেস৭৫১রাত ৯:৪৫রাত ১১:৩২১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিটশুক্রবার
পদ্মা এক্সপ্রেস৭৫৯রাত ১০:৪৫রাত ১২:৩২১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিটমঙ্গলবার

রাত ১২টা ৩২ মিনিটকে পরের দিনের সময় হিসেবে ধরতে হবে। যেমন, পদ্মা এক্সপ্রেস রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে ১২টা ৩২ মিনিটে টাঙ্গাইলে পৌঁছায়। তাই স্টেশনে যাওয়ার সময় এই তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি খেয়াল রাখুন।

আরো পড়ুন:  ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া, টিকিট ২০২৬

কোন ট্রেন কখন সুবিধাজনক

সকালে দ্রুত পৌঁছাতে চাইলে ধূমকেতু এক্সপ্রেস ভালো বিকল্প। অন্যদিকে অফিস শেষে যাত্রার জন্য দ্রুতযান এক্সপ্রেস বা লালমনি এক্সপ্রেস ব্যবহার করা যায়। তবে লালমনি এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে। রাতের যাত্রায় পদ্মা এক্সপ্রেস বেছে নিলে মধ্যরাতের পর টাঙ্গাইলে পৌঁছানোর প্রস্তুতি রাখুন।

  • সবচেয়ে ভোরের ট্রেন: ধূমকেতু এক্সপ্রেস, সকাল ৬:০০।
  • সবচেয়ে শেষের ট্রেন: পদ্মা এক্সপ্রেস, রাত ১০:৪৫।
  • দ্রুততম সময়: ১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট। ফলে ধূমকেতু, দ্রুতযান, লালমনি ও পদ্মা এক্সপ্রেস এই সময়ে পৌঁছে।
  • সাপ্তাহিক বন্ধ নেই: একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস।

টিকিটের ভাড়া কত

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের টিকিটের দাম আসনের ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। প্রদত্ত ২০২৬ সালের ভাড়া তালিকায় শোভন, শোভন চেয়ার, প্রথম আসন, স্নিগ্ধা, এসি সিট ও এসি বার্থের দাম আলাদা। তাই অনলাইন পোর্টালে ভ্যাটসহ প্রদর্শিত মূল্যই পেমেন্টের আগে চূড়ান্তভাবে যাচাই করা উচিত।

আসনের শ্রেণিপ্রদর্শিত ভাড়াসংক্ষিপ্ত পরিচয়
শোভন৯৫ টাকাসাধারণ নন-এসি আসন
শোভন চেয়ার১১৫ টাকাসংরক্ষিত চেয়ার আসন
ফার্স্ট সিট১৭৯ টাকাপ্রথম শ্রেণির সংরক্ষিত আসন
স্নিগ্ধা২১৯ টাকাএসি চেয়ার
এসি সিট২৬৫ টাকাশীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আসন
এসি বার্থ৪৪৭ টাকাশীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শোয়ার আসন

ভাড়ার তালিকায় কোনো কোনো উৎসে এসি বার্থের জন্য ৩৯৭ টাকা দেখা যেতে পারে। আবার নির্দিষ্ট অনলাইন বুকিং তালিকায় ৪৪৭ টাকা প্রদর্শিত হয়েছে। তাই পুরনো তালিকা দেখে কাউন্টারে অতিরিক্ত অর্থ দেবেন না। বরং পেমেন্টের আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি ই-টিকিট পোর্টালে বর্তমান ভাড়া মিলিয়ে নিন।

কোন আসন বেছে নেবেন

স্বল্প বাজেটে দিনের যাত্রার জন্য শোভন বা শোভন চেয়ার যথেষ্ট হতে পারে। গরমের সময় একটু আরাম চাইলে স্নিগ্ধা যুক্তিযুক্ত পছন্দ। অন্যদিকে এসি বার্থের সুবিধা এই ছোট রুটে সব যাত্রীর জন্য প্রয়োজনীয় নাও হতে পারে। বিশেষ করে যাত্রা সময় ২ ঘণ্টার কম হলে এমন আসন না নিলেও চলে।

আরো পড়ুন:  যশোর টু খুলনা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ | Jashore to khulna Train Schedule

অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম

অনলাইনে ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের টিকিট কাটতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট ওয়েবসাইটে গিয়ে যাত্রার তারিখ, ট্রেন ও আসনের শ্রেণি নির্বাচন করতে হয়। পেমেন্ট শেষ হলে ই-টিকিট সাধারণত এসএমএস বা ই-মেইলে পাওয়া যায়। তবে বুকিংয়ের আগে নাম ও যাত্রার তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে নিন।

  1. প্রথমে eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
  2. এরপর উৎপত্তি হিসেবে ঢাকা এবং গন্তব্য হিসেবে টাঙ্গাইল নির্বাচন করুন।
  3. ভ্রমণের তারিখ নির্বাচন করে সার্চ দিন।
  4. উপলভ্য ট্রেনের তালিকা থেকে পছন্দের ট্রেন বেছে নিন।
  5. শোভন, শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা বা উপলভ্য অন্য আসনের শ্রেণি নির্বাচন করুন।
  6. যাত্রীর সংখ্যা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।
  7. সবশেষে অনলাইনে পেমেন্ট শেষ করে এসএমএস বা ই-মেইলে আসা ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন।

সরাসরি টিকিট কাটতে কমলাপুর রেলস্টেশনের কাউন্টার ব্যবহার করা যায়। একইভাবে টাঙ্গাইল স্টেশন থেকেও কাউন্টার টিকিট কেনা সম্ভব। ঈদ, পূজা বা দীর্ঘ ছুটির সময় আসন দ্রুত শেষ হতে পারে। সেক্ষেত্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা নিশ্চিত হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বুকিং করা সুবিধাজনক।

স্টেশনে পৌঁছানোর সময়

ঢাকা স্টেশনে নির্ধারিত ছাড়ার সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানো ভালো। কারণ কমলাপুরে যানজট, প্রবেশপথের ভিড় ও প্ল্যাটফর্ম খুঁজে নিতে সময় লাগতে পারে। সকাল ৬টার ধূমকেতু এক্সপ্রেস ধরতে হলে শহরের দূরবর্তী এলাকা থেকে আরও আগে রওনা হওয়া দরকার।

যাত্রার আগে যে ভুলগুলো এড়াবেন

ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের সময়সূচী দেখে শুধু ছাড়ার সময় মনে রাখলেই হবে না। বরং বন্ধের দিন, মধ্যরাতের আগমন, টিকিটের শ্রেণি এবং স্টেশনে পৌঁছানোর সময় একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সাধারণ একটি ভুল হলো ১২টা ৩২ মিনিটের আগমনকে একই দিনের দুপুরের সময় ধরে নেওয়া।

  • বন্ধের দিন না দেখা: যেমন, রবিবার সিল্কসিটি ও চিত্রা এক্সপ্রেস চলে না।
  • ভুল তারিখ নির্বাচন: রাতের পদ্মা এক্সপ্রেস পরের দিন ১২টা ৩২ মিনিটে পৌঁছে।
  • পুরনো ভাড়া অনুসরণ: তাই পেমেন্টের আগে সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত মূল্য পরীক্ষা করুন।
  • শেষ মুহূর্তে স্টেশনে যাওয়া: নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখুন।
  • নাম ও পরিচয়পত্রে অমিল: বুকিংয়ের সময় যাত্রীর তথ্য নির্ভুলভাবে লিখুন।
আরো পড়ুন:  ঢাকা টু খুলনা ট্রেনের সময়সূচী, ট্রেনের ভাড়া ও টিকিট ২০২৬

লাইভ ট্রেনের অবস্থান জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের এসএমএস ট্র্যাকিং সুবিধা ব্যবহার করা যায়। সাধারণভাবে TR লিখে একটি স্পেস দিয়ে ট্রেনের নম্বর পাঠাতে হয় ১৬৩১৮ নম্বরে। তবে পরিষেবার নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে। তাই প্রয়োজনে স্টেশন বা রেলওয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশনা যাচাই করুন।

দূরত্ব ও ভ্রমণ সময়

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার। নির্ধারিত আন্তঃনগর ট্রেনগুলো সাধারণত ১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিটের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছায়। তবে ট্রেনের নির্ধারিত সময় আর বাস্তব যাত্রার সময় এক নাও হতে পারে। কারণ স্টপেজ, সিগন্যাল বা operational delay প্রভাব ফেলতে পারে।

ধরা যাক, একজন যাত্রী বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসে উঠলেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী তিনি সন্ধ্যা ৬টা ১১ মিনিটে টাঙ্গাইলে পৌঁছাবেন। তবে স্টেশনে যাওয়া, অপেক্ষা ও টাঙ্গাইলে নেমে স্থানীয় গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় আলাদা ধরে পরিকল্পনা করা ভালো। এতে পুরো যাত্রার হিসাব বেশি বাস্তবসম্মত হবে।

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের জন্য দ্রুত সিদ্ধান্ত

কম সময়ে যেতে চাইলে ১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিটের ট্রেনগুলো বেছে নিন। সকালের যাত্রায় ধূমকেতু এক্সপ্রেস, অফিস-পরবর্তী সময়ে দ্রুতযান এক্সপ্রেস এবং গভীর রাতে পদ্মা এক্সপ্রেস ব্যবহারযোগ্য বিকল্প। তবে ভ্রমণের তারিখ অনুযায়ী বন্ধের দিন ও আসনপ্রাপ্যতা যাচাই না করে কোনো ট্রেন চূড়ান্ত করবেন না।

আপনার প্রয়োজনউপযুক্ত বিকল্পযে বিষয়টি মনে রাখবেন
সকালে পৌঁছানোধূমকেতু এক্সপ্রেসসকাল ৬টায় ছাড়ে
প্রতিদিনের নমনীয়তাএকতা বা দ্রুতযান এক্সপ্রেসদুটির নির্ধারিত সাপ্তাহিক বন্ধ নেই
সন্ধ্যার পর যাত্রাচিত্রা বা দ্রুতযান এক্সপ্রেসরবিবার চিত্রা এক্সপ্রেস বন্ধ
সর্বশেষ ট্রেনপদ্মা এক্সপ্রেসটাঙ্গাইলে পৌঁছায় পরের দিন ১২:৩২-এ

৯ সেপ্টেম্বরের আসনপ্রাপ্যতার নমুনা

প্রদত্ত বুকিং ডাটায় ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর জন্য ট্রেনভেদে আসনপ্রাপ্যতা দেখা গেছে। তবে এই সংখ্যা স্থির নয়। অন্য সময়ে একই ট্রেনে আসন খালি বা সম্পূর্ণ বিক্রি থাকতে পারে। তাই তালিকাটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদাহরণ হিসেবে দেখুন, চূড়ান্ত নিশ্চয়তা হিসেবে নয়।

ট্রেনপ্রদর্শিত আসন ও সংখ্যা
ধূমকেতু এক্সপ্রেসশোভন চেয়ার ২৪, স্নিগ্ধা ০, এসি সিট ০
একতা এক্সপ্রেসশোভন চেয়ার ২৬, স্নিগ্ধা ০, এসি সিট ০
সিল্কসিটি এক্সপ্রেসশোভন চেয়ার ৮, স্নিগ্ধা ১, এসি সিট ০
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসশোভন ৫৫, শোভন চেয়ার ০, ফার্স্ট সিট ৪
চিত্রা এক্সপ্রেসশোভন চেয়ার ৬, স্নিগ্ধা ১২, এসি বার্থ ০
দ্রুতযান এক্সপ্রেসশোভন চেয়ার ৭, স্নিগ্ধা ০, এসি বার্থ ০
লালমনি এক্সপ্রেসশোভন চেয়ার ০, স্নিগ্ধা ০, এসি বার্থ ০
পদ্মা এক্সপ্রেসশোভন চেয়ার ৫, স্নিগ্ধা ৩, এসি বার্থ ০

প্রশ্নোত্তর

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের প্রথম ট্রেন কোনটি?

ধূমকেতু এক্সপ্রেস প্রথম ট্রেন। এটি ঢাকা থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ৪৭ মিনিটে টাঙ্গাইলে পৌঁছায়।

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের শেষ ট্রেন কখন ছাড়ে?

পদ্মা এক্সপ্রেস রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ছাড়ে। তবে এর নির্ধারিত আগমন সময় পরের দিন রাত ১২টা ৩২ মিনিট।

এই রুটে মোট কতটি ট্রেন চলে?

প্রদত্ত ২০২৬ সালের আন্তঃনগর সময়সূচী অনুযায়ী ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল রুটে ৮টি সরাসরি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।

ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের ভাড়া কত?

আসনের ধরন অনুযায়ী ভাড়া বদলায়। প্রদর্শিত তালিকায় শোভন ৯৫ টাকা, শোভন চেয়ার ১১৫ টাকা, স্নিগ্ধা ২১৯ টাকা এবং এসি সিট ২৬৫ টাকা।

অনলাইনে টিকিট কোথা থেকে কাটব?

বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি ই-টিকিট পোর্টাল eticket.railway.gov.bd থেকে ঢাকা ও টাঙ্গাইল নির্বাচন করে টিকিট কেনা যায়।

কোন ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ নেই?

একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেসের নির্ধারিত সাপ্তাহিক বন্ধ নেই। তবে বাকি ট্রেনগুলোর বন্ধের দিন যাত্রার আগে মিলিয়ে নিন।

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল যেতে কত সময় লাগে?

আন্তঃনগর ট্রেনে নির্ধারিত সময় সাধারণত ১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট। তবে বিলম্ব হলে বাস্তব সময় কিছুটা বাড়তে পারে।

যাত্রার আগে শেষ যাচাই

ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া ও টিকিটের আসনপ্রাপ্যতা ২০২৬ সালে পরিকল্পনা করার জন্য এই তথ্য কার্যকর হতে পারে। তবে রেলওয়ের সময়সূচী, ভাড়া ও বুকিং অবস্থা পরিবর্তনশীল। তাই স্টেশনে রওনা হওয়ার আগে সরকারি ই-টিকিট পোর্টালে ট্রেনের সময়, বন্ধের দিন, আসন ও মূল্য আবার যাচাই করে নিন।

Rakib Hasan

আমি একজন লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি খবর, চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তথ্যবহুল ও সহজবোধ্য কনটেন্ট প্রকাশ করেন। তাঁর লক্ষ্য পাঠকদের সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য প্রদান করা।

Sharing Is Caring:

Leave a Comment